এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় - জেনে নিন দ্রুত মোটা হওয়ার ১৫ টি কার্যকরী টিপস
মোটা হওয়া খুব একটা সহজ কাজ নয়।আবার অতিরিক্ত চিকন হলেও মানুষ পছন্দ করে না। আমাদের সমাজের বেশি চিকন মানুষকেও পছন্দ করে না আবার মোটা মানুষকেও পছন্দ করে না। এই সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বিয়ে করার ক্ষেত্রে। বেশি চিকন ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এজন্য তারা এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চায়। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় এবং সেই সাথে কিছু কার্যকরী টিপস নিয়ে আলোচনা করবো। কাজেই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
তাছাড়া আরো আলোচনা করব - সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়,ইসলামে মোটা হওয়ার উপায়, ৭ দিনে মোটা হওয়ার দোয়া।
আর্টিকেল সূচিপত্র - এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় সংশ্লিষ্ট সূচিপত্র
- এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায়
- সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়
- ইসলামে মোটা হওয়ার উপায়
- ৭ দিনে হওয়ার দোয়া
- লেখকের মন্তব্য
আরও পড়ুনঃ মাসিকের কতদিন পর গর্ভধারণ হয়?
এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায়
এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় নিয়ে পোস্টের শুরুতেই বর্ণনা করবো -
মোটা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে জানতে হবে মোটা না হওয়ার কারণ সম্পর্কে। মোটা না হওয়ার কারণগুলো হচ্ছে -
- জেনেটিক কারণে। অনেকে পারিবারিক বংশ অনুযায়ী মোটা হয় না।
- অনিয়মিত খাদ্যাবাসের কারণে। এমন অনেকে আছে যারা সকালের খাবার দুপুরে খায়,দুপুরের খাবার রাতে খায়। মানে নিয়ম মাফিক খাওয়া দাওয়া করে না তারা সহজে মোটা হয় না।
- বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন - ডায়াবেটিস, হাইপারটেশন, ডায়রিয়া, আর্থ্রাইটিস,মানসিক সমস্যা ইত্যাদি কারণে মোটা হয় না।
- ড্রাগ গ্রহণ করলে।
- পুষ্টিকর খাবারের অভাবে।
উপরোক্ত সমস্যা গুলোর কারণে মোটা হওয়াতে বাধা হতে পারে।এবার দেখবো কিভাবে মোটা হওয়া যায় -
(১)প্রোটিন গ্রহণ করা :
আপনি যদি তাড়াতাড়ি মোটা হতে চান তাহলে আপনাকে যতেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ না করলে শরীরে ফ্যাটের ঘাটতি দেখা দিবে। এজন্য আপনাকে প্রতিদিন প্রোটিন জাতীয় বিভিন্ন খাবার যেমন মাছ, মাংস, দুধ,ডিম এগুলো গ্রহণ করতে হবে।কম দামের মধ্যে প্রোটিন জাতীয় খাবার পেতে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ডাল খেতে পারেন। ডাল দিয়ে তৈরি খিচুড়িতেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়।
(২)টেনশন না করা :
দৈনন্দিন জীবনে মানুষ বিভিন্ন কারণে টেনশন করে থাকে। যেমন -পারিবারিক অশান্তি, টাকা পয়সার সমস্যা, বিচ্ছেদ, পরীক্ষায় ফেইল, ক্যারিয়ার। অতিরিক্ত টেনশন করলে মানুষ সহজে মোটা হয় না।যদিও জীবন থেকে টেনশন বাদ দেওয়া যাবে না তারপরও আমাদেরকে টেনশন কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
(৩)পর্যাপ্ত ঘুম :
বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানুষের ঘুমানোর সময় কমে গেছে। মানুষ অনেক কম সময় ঘুমায়। বেশি রাত জাগার কারণে শরীরে দেখা দেয় নানান সমস্যা। আপনাকে অনেক তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে হবে এবং প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে। এর কম আপনাকে ঘুমানো যাবে না। সুতরাং ওজন বৃদ্ধির জন্য ঘুমানোর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
(৪)বার বার খাওয়া :
প্রত্যেক মানুষকেই দিনে পর পর কয়েকবার খাওয়া উচিত। তবে আপনি যদি মোটা হতে চান তাহলে দৈনিক অল্প করে খেলে চলবে না। খেতে হবে বেশি পরিমাণে। অন্তত ২ ঘন্টা পর পর ছানা, ফল, দুধ, দই এগুলো বেশি করে খেতে হবে। মোটা হওয়ার জন্য তা হতে পারে কার্যকরী টিপস।
(৫)কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করা:
বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত। ভাত আর রুটি কার্বোহাইড্রেটের প্রধান উৎস। মোটা হওয়ার সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হচ্ছে বেশি বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করা। এজন্য আপনার খাবারের তালিকায় ভাত ও রুটিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
(৬)অতিরিক্ত ক্যালরী গ্রহণ
সাধারণত মানুষ ক্যালরী বার্ণ করে এবং কম ক্যালরী গ্রহণ করে। কিন্তু আপনি যদি মোটা হতে চান তাহলে আপনাকে দ্বিগুণ ক্যালরী গ্রহণ করতে হবে। মোটা হওয়ার জন্য প্রতিদিন পরিমাণের চেয়ে ৭০০-৮০০ ক্যালরী বেশি গ্রহণ করুন। এরকম করে একমাস চললে আপনি দেখবেন মোটা হয়ে গেছেন।
(৭)শারীরিক ব্যায়াম :
আমাদের সকলের একটি ধারণা যে ব্যায়াম করলে হয়তো শরীরের ওজন কমে যায়। মানে ব্যায়াম শুধুমাত্র ওজন কমাতে প্রয়োজন৷ এটি একটি ভুল ধারণা। শরীরের ওজন বাড়ানোর জন্যও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। এজন্য আপনাকে একটি জিম ট্রেনিং সেন্টারে যেতে হবে। সেখানে আপনার ট্রেইনার আপনাকে বলে দিবে যে আপনার কোন ধরণের ব্যায়াম করা উচিত। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম তাড়াতাড়ি মোটা হতে পারবেন ।
(৮)দুধ ও মধু খাওয়া :
মোটা হওয়ার জন্য একটি পরীক্ষিত উপায় হচ্ছে দুধ ও মধু একসঙ্গে খাওয়া। আপনি যদি ঘুমানোর আগে প্রতিদিন নিয়ম করে একমাস দুধ মধু খান তাহলে আপনি ঘুমিয়ে পড়লেও তা আপনার শরীরের ওজন বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
(৯)পানি :
শারীরবৃত্তীয় সকল কাজের জন্য পানির ভূমিকা অপরিসীম।মোটা হওয়ার জন্যও পানির বিকল্প নেই। প্রতিদিন বেশি বেশি পানি পান করুন।
(১০)ফাস্টফুড ও চকলেট :
ফাস্টফুড এর মধ্যে রয়েছে সিঙ্গারা,পুরি,ঝালমুড়ি,বিরিয়ানি, বার্গার ইত্যাদি। এসব খাবার আপনি যত খাবেন ততই মোটা হবেন। তবে এসব অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। অবশ্যই পরিমাণমতো খেতে হবে। চকলেট এবং আইসক্রিমও মোটা হতে অনেক সাহায্য করে।
(১১)ড্রাই ফ্রুটস
ড্রাই ফ্রটস বলতে বোঝায় বাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম, কিসমিস। ড্রাই এসব খাবারে থাকে প্রচুর ফ্যাট এবং ক্যালরি। এজন্য সকালে ঘুম থেকে উঠেই চারটি কাজুবাদাম ও ২ টি কিসমিস খান। নাস্তায় আপনি পেস্তা বাদামও রাখতে পারেন। আপনি যদি এক মাসের মধ্যে মোটা হতে চান, তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই বাদামকে রাখুন।ড্রাই ফ্রুটস খেতে কখনোই ভুলবেন না। এভাবে এক মাসে খেতে পারলেই আপনার মোটা হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না।
(১২)আলু :
আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কর্বোহাইড্রেট।মোটা হওয়ার জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে আলু খান। আলুর চিপস অলিভ অয়েলে ভেজে প্রিজার্ভ করে খেতে পারেন। প্রতিদিন খাওয়ার পর অবশ্যই প্রার্থক্য দেখতে পাবেন।
(১৩)ক্ল্যারিফায়েড বাটার :
এই বাটারটি শরীরের ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি ভিটামিনও প্রদান করে থাকে। এর কার্যকারীতা বাড়ানোর জন্য এক চামচ বাটারের সাথে এক চামচ চিনি মিশিয়ে নিন এবং প্রতিদিন খাবারের ৩০ মিনিট আগে খান। এভাবে ৩০ দিন খাওয়ার পর আপনার ওজন অবশ্যই বাড়বে।
(১৪)পিনাট বাটার :
পিনাট বাটার অত্যন্ত ক্যালরীযুক্ত একটি খাবার। এটি আপনি বিভিন্নভাবে খেতে পারেন। যেমন - রুটি বা বিস্কুটের সাথে।প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও পিনাট বাটার খান। তাড়াতাড়ি মোটা হওয়ার জন্য তাড়াতাড়ি পিনাট বাটার কিনে ফেলুন।
(১৫)ডিম :
ডিমে রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট এবং ক্যালরি যা দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন তিন থেকে চারটি ডিমের সাদা অংশ খান যা আপনার ওজন বাড়াতে খুবই সাহায্য করবে।
দ্রুত মোটা হওয়ার জন্য আপনি যদি উপরোক্ত ১৫ টি টিপস মেনে চলেন তাহলে এক মাসের মধ্যেই মোটা হতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কোথায় অবস্থিত
সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়
অনেকেই রয়েছেন যারা ওজন কম হওয়ার কারণে বা মোটা না হওয়ার কারণে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন এবং জানতে চান যে সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়। চলুন তাহলে জানি।
এমন কতকগুলো খাবার রয়েছে যেগুলো সকালে খেলে দ্রুত মোটা হওয়া যায় -
গুড়ের পানি :
কম ওজনের মানুষের জন্য গুড়ের পানি খুবই কার্যকরী। গুড়ের পানিতে রয়েছে উষ্ণতা প্রভাব যা ওজন বৃদ্ধি করে এবং ঠান্ডা থেকে মুক্তি দেয়। গুড়ের পানি পান করার জন্য একটি গ্লাসে পানি নিয়ে তাতে এক চিমটি গুড় মিশান। সারারাত ভিজিয়ে রাখার পর সকালে খালি পেটে পান করে ফেলুন।
বাদাম ভেজানো:
স্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধির জন্য বাদাম ভেজানো পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি এসিড মোটা হতে যেমন সাহায্য করে ঠিক তেমনি শরীরে পুষ্টিও যোগায়।এজন্য প্রতিদিন সকালে ৫-৭ টি পানিতে ভেজানো বাদাম খান।
বানানা শেক
খালি পেটে যদি আপনি নিয়ম করে কয়েকদিন বাদাম শেক খান তাহলে আপনার মোটা হওয়া নিয়ে আর কোনো চিন্তাই করতে হবে না। বানানা শেক হচ্ছে দুধের সাথে বানানা মিশিয়ে খাওয়া। নিয়মিত বানানা শেক গ্রহণ ওজন বাড়াতে খুবই কার্যকরী।
পিনাট বাটার
সকালে খালি পেটে খান পিনাট বাটার। এতে থাকে খাদ্যের অনেক ভালো উপাদান। নিয়মিত যদি আপনি পিনাট বাটার খান তাহলে আপনার শরীরের যেমন বিকাশ হবে ঠিক তেমনি পেশিগুলোও শক্তিশালী হবে।
উপরোক্ত খাবারগুলো সকালে খালি পেটে ঘুম থেকে উঠেই খান। নিয়মিত খেলে আপনি শারীরিক পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ সিজারের পর ইনফেকশনের লক্ষণ
ইসলামে মোটা হওয়ার উপায়
ইসলামে মোটা হওয়া সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কয়েকটি হাদিস পাওয়া যায় সেটি হচ্ছে খেজুর ও শসা একসাথে খাওয়া। এ সম্পর্কে হাদিসটি হলো:
হযরত আয়োশা রা.একদিন বর্ণনা করেন যে, তার মার নাকি অনেক ইচ্ছে ছিলো তাকে স্বাস্থ্যবান বানিয়ে নবীজির কাছে পাঠাবে। এজন্য অনেক ব্যাবস্থা করা হলেও কোনো কাজ হয় নি। অবশেষে তাকে খেজুরের সাথে খিরা বা শসা খেতে বলেন৷ এতে তিনি অনেক স্বাস্থ্যের অধিকারী হন। এটি সুনাহে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩,৯০৩ নাম্বার হাদিসে বর্ণিত রয়েছে। তাছাড়া শসা ও খেজুর একসাথে খাওয়া সুন্নত। আপনি যদি অতিরিক্ত চিকন হয়ে থাকেন তাহলে উপরোক্ত উপায়টি অবলম্বন করে দেখতে পারেন। ইনশাল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন।
আরও পড়ুনঃ করোসল ফল বাংলাদেশে কোথায় পাওয়া যায়
৭ দিনে মোটা হওয়ার দোয়া
মোটা হওয়া সম্পর্কে ইসলামে তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট দোয়া পাওয়া যায় না। মোটা হওয়া মোটেও ভালো কাজ নয়। এটি আপনার শরীরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে৷তবে মোটা হওয়ার জন্য এমনি করে আল্লাহর
কাছে দোয়া করতে পারেন যাতে আপনাকে মোটা বানিয়ে দেয়। নিচে কুরআনের একটি আয়াত দেওয়া হলো যা নিয়মিত পাঠ করলে ভালো ফলাফল পেতে পারেন। যেমন-
"ওয়া লাওলা ফাদদুল্লাহ হি আলাইকুম ওয়ারাহমাতুহ ওয়া আন্নালা হা তাওয়াবুন হাকীম"
আপনি যেকোনো সময় এই আমলটি করতে পারবেন। আমল করার পূর্বে অবশ্যই ওযু করে নিবেন। ওযু করার পর এক গ্লাস পানি নিবেন এবং দুরুদ শরীফ পাঠ করবেন। তারপর এই আয়াতটি ২১ বার পড়ে পানিতে একবার অথবা তিনবার ফু দিবেন। তারপর খেয়ে ফেলবেন। এভাবে দৈনিক একবার করে ২১ দিন খাওয়ার পর অবশ্যই আপনার ভালো ফলাফল দেখতে পাবেন।
আরও পড়ুনঃ ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর লক্ষণ জানুন
লেখকের মন্তব্য
আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে এক মাসের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।মোটা হওয়া স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের অন্তর্ভূক্ত নয়। মোটা হওয়ার চেষ্টা না করে রোগমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। কারণ মোটা হলে শরীরে অনেক অসুখ বাসা বাধবে। আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন। আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার মতামত, পরামর্শ কিংবা প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমৃদ্ধ আর্টিকেল পড়তে নিয়মিত ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট My Teach Info। ধন্যবাদ।
My Teach Info এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url